আবাসিক হোটেল আর ফ্ল্যাটে মডেল ও কলেজ ছাত্রীরা টাকার বিনিময়ে দেহ ব্যবসা-(ভিডিওতে দেখুন)

আবাসিক হোটেল আর ফ্ল্যাটে মডেল ও কলেজ ছাত্রীরা টাকার বিনিময়ে দেহ ব্যবসা করছে-(ভিডিওতে দেখুন)। রাজধানীর অভিযাত এলাকা উত্তরা, ধানমন্ডি, মিরপুর, রামপুরা, বনানী, গুলশান, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও ফ্লাট বাসায় চলে রমরমা দেহব্যবসা।অসাধু হোটেল মালিক, দালালরা ফ্লাট ভাড়া করে পসরা সাজিয়ে বসিয়ে রাখে যৌনকর্মীদের।

সব সময়ই চলে এ দেহব্যবসা। এ সবের কথা অজানা কেহর নয়।কোথায় কিভাবে চলে এ ব্যবসা সবাই যানে এবং সবশ্রেনীর লোকেরই আনাগোনা আছে এসব স্থানে। এ সব হোটেল ও ফ্লাটে পাবেন স্কুল কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী , নায়িকা, শিল্পী, অভিনেত্রী, মডেল বৃত্তবানদের মেয়েদের। এমনকি অনেক উচ্চবৃত্তবানদের স্ত্রীদেরকেও।তবে উচ্চবৃত্তবানদের স্ত্রীরা অর্থের জন্য নয় আসে মনোরঞ্জনের জন্য। খদ্দররা যে বয়সের চাবে তাই পাবেন এ সব জায়গায়।

খদ্দরদের এখান থেকে মনোরঞ্জনের জন্য পছন্দের মেয়েকে খুজে নেয়ার অবাধ সুযোগ রয়েছে । বয়স যত কম টাকা তত বেশি।আর নায়িকা, মডেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদের পেতে একটু বেশি টাকা খরচ করতে হবে খদ্দরদের। তবে অর্থের বিনিময় সব ব্যবস্থাই আছে। এ সব হোটেল ও ফ্লাটে গেলে মনে হবে আপনি কোন মেয়েদের বাজারে এসেছেন। ভিডিও দেখতে হলে Open/Download ক্লিক করুন

মনোরঞ্জনের জন্য খদ্দররা যাকে পছন্দ তাকেই নিয়ে নিতে পারবেন কক্ষে। চাইলে সেখান থেকে খেদ্দরের পছন্দের স্থান বাসা কিংবা অন্যস্থোনেও নিতে পারবেন। এসব হোটেল কিংবা ফ্লাটে গেলে মনে হবে খদ্দরের মনোরঞ্জনের জন্য এরা এ ব্যবস্থা করে রেখেছে।ভিন্ন ঢঙ্গে রংঙ্গে নানা পোশাক পড়ে থদ্দরের অপেক্ষা করে এরা। নারী মদসহ সবই আছে। মদের সঙ্গে নারী নাচবে আর কতকি? শুধু রাতের আধারেই নয় চব্বিশ ঘন্টাই চলে রমরমা এ দেহ ব্যবসা।দেখুন সে ভিডিও

এর সঙ্গে রয়েছে অনেক দালাল । যারা খদ্দর যোগার করে দেয়।আবার অনেকে নিজেরাই খদ্দর যোগার করে থাকে। রাজধানীতে পাঁচ ভাগে দেহব্যবসা চলে । প্রথমত যৌনকর্মীকে ভিজিটরের বাসার ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া, দ্বিতীয়ত যৌনকর্মী ও ফ্ল্যাট ভিজিটরকে নিরাপদে নিয়ে আসা, তৃতীয়ত হোটেল কক্ষে যৌন মিলনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা, চতুর্থ প্রাইভেট পরিবহন ও পার্ক এবং পঞ্চম যৌন কর্মীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার ব্যবস্থা করা।খদ্দরের কাছ থেকে যে টাকা পাওয়া যাবে এর একটি অংশ পাবে দালাল এক অংশ পাবে হোটেল কিংবা ফ্লাটের মালিক আর অর্ধেক পাবে যৌনকর্মী। বিশেষ শ্রেণীর যৌনকর্মীরা নিজের ফ্ল্যাট বাসা-বাড়িতে খদ্দেরকে আপ্যায়ন করে। কেবল টাকার জন্য নয় নিজেদের মনোরঞ্জনের জন্যও অনেকে এ কাজে নেমেছে। তবে এ সংখ্যা খুব কম।

এমনও যৌনকর্মী আছে যাদের সন্তান বড় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। রাজধানী আবার রয়েছে ভাসবান দেহব্যবসায়ী । সন্ধ্যার পর রাজধানীর বিভিন্নস্থানে এদের আনাগোনা বেড়ে যায়। বিশেষ করে ফার্মগেট এলাকায়।আনন্দ সিনেমা হলের আসে পাশে দেখবেন বোরকা পড়া কিংবা ছোলোয়ার কামিজ পরা মেয়েরা ঘুর ঘুর করছে। একটি সময় অপেক্ষা করলেই দেখবেন তারা বিভিন্ন লোকদের সঙ্গে কথা বলছে। দরদাম করছে। কতক্ষন থাকবে কোথায় যাবে কতটাকায়। আর আপনি যদি বেশিক্ষন দাড়িয়ে থাকেন তা হলে আপনার কাছে এসেও তারা জিজ্ঞাসা করবে। এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন ফুট ওভার ব্রীজের উপর এবং কারওয়ান পার্ক কুঞ্জে রাত যত বেশি হয় বাড়ে ভাসবান যৌনকর্মীর সংখ্যা। দু’শ থেকে তিন’শ টাকার বিনিময় এরা খদ্দরের মনোরঞ্জন দিয়ে থাকে। এছাড়া রাজধানীর থেকে পাবেন কিছু ভ্রমন যৌনকর্মী।

এরা দেশ নয় বিদেশেও যায় খদ্দরদের সঙ্গে এরা হল ভিভি আইপি দেহকর্মী। কক্সবাজার , কুয়াকাটা, সিলেট কিংবা দেশের বাইরে নিতে চাইলে এরা যাবে। ভ্রমন যৌনকর্মীরা বেশিরভাগই মডেল,অভিনেত্রী ও বিশ্বাবিদ্যালয়ের ছাত্রী সুন্দর চেহারার অধিকারি হয়ে থাকে।এদের পার্সপোটও করা আছে। রাজধানীর ভিআইপি এলাকায় যৌন ব্যবসা পরিচালিত হয় বিশেষ গোপনীয়তায় ভিন্ন আঙ্গিকে । ভিআইপি এলাকাগুলোতে হোটেলে নয় ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া করে চলে যৌন ব্যবসা।

কোকাকলায় ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ছাত্রীর সাথে মেলামেশা করে ভিডিও ধারন- (ভিডিও সহ দেখুন)

সেখানে যাতায়াত করে বিশেষ ধরনের খদ্দের। আর এ ব্যবসার প্রধান মাধ্যম হচ্ছে মোবাইল ফোন এবং ভিজিটিং কার্ড ! চলতি পথে আপনারা অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করেছেন কিছু ব্যক্তি বাসের জানালা দিয়ে কার্ড বা কাগজ ছুড়ে দেয়। আর যার মধ্যে শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা বা সমাধানের জন্য তথাকথিত ডাক্তারের নম্বর দেয়া থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ সব কার্ড বা কাগজের অন্তরালে বেশির ভাগই থাকে যৌন ব্যবসার প্রচার। কার্ডের নম্বরে কল করলে বলবে আপনার ফোনের অপেক্ষায় আছেন ঢাকার বিভিন্ন কলেজ, ইউনিভারসিটির ছাত্রী ও মধ্য বয়সের মহিলা যৌনকর্মী।

এতে গোল রাজধানীর দেহব্যবসায়ীদের কথা এবার আশেপাশের জেলা গাজীপুর ও নারায়গঞ্জের আসা যাক। গাজীপুরের ৯০ ভাগ আবাসিক হোটেলে চলে দেহব্যবসা। সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন রেস্ট হাউস, কটেজ ও। হোটেলে পরসা সাজিয়ে বসে থাকে গাজীপুর কোনাবাড়ি, ভোগড়া ও হোতাপাড়া শ্রীপুর পৌর এলাকার মাওনা চৌরাস্তার এলাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে পতিতাবৃত্তে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬৫ জনকে খদ্দরসহ আটক করা হয়।

Check Also

হোটেলে ঘন্টা চুক্তিতে কলেজ পড়ুয়া সুন্দরী মেয়েরা এসব কি করছে? দেখুন ভিডিওতে

হোটেলে ঘন্টা চুক্তিতে কলেজ পড়ুয়া সুন্দরী মেয়েরা এসব কি করছে? দেখুন ভিডিওতে। সাবধান হতে প্রত্যেক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *